ফরাসি বিপ্লবের পটভূমি কি ছিল? সংঘটনের কারণ

ফরাসি বিপ্লবের পটভূমি কি ছিল? সংঘটনের কারণ ব্যাখ্যা করা হলঃ ইউরোপের ইতিহাসে ফরাসী বিপ্লব একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। অভিজাত এবং যাজকদের দৌরাত্ম, সামাজিক শ্রেণী বৈষম্য, আর্থিক সংকট এবং স্বেচ্ছাচারী রাজতন্ত্রের পরিপ্রেক্ষিতে ফরাসী বিপ্লব সংঘটিত হয়। ফরাসী বিপ্লবের মাধ্যমে রাজতন্ত্রের জাঁতাকল থেকে আপামর জনতা মুক্তি পায়। ১৭৮৯ সালে সংঘটিত এই বিপ্লবের মূলনীতি ছিল সাম্য, ভ্রাতৃত্ব এবং স্বাধীনতা। ফ্রান্সে ফরাসি বিপ্লব সংঘটনের পটভূমি ও কারণ ছিল বিবিধ।

বিপ্লবপূর্ব ফ্রান্সের অবস্থা: 

ফরাসী বিপ্লবের আগে ফ্রান্সের আভ্যন্তরীণ অবস্থা বিশৃঙ্খল ছিল। আর্থিক সমস্যা প্রকট ছিল। দেশের অর্থনৈতিক দুর্দশার মধ্যেও রাজপরিবারের সদস্য বিশেষ করে ষোড়শ লুই এর সহধর্মীনি মেরী আঁতোয়ানেত এর ভোগ বিলাসী জীবন ফ্রান্সের রূপকথার মতো ছড়িয়ে যায়। অন্যদিকে সাধারন জনগণ মানবেতর জীবনযাপন করতো।

বিপ্লবের পটভূমি: 

ফরাসি বিপ্লব ছিল তদানীন্তন ফ্রান্সের শত শত বছরের নির্যাতিত এবং বঞ্চিত থার্ড স্টেট সাধারণ মানুষের পুঞ্জীভূত ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ। বিপ্লবের আগে ফ্রান্সের 95 ভাগ সম্পদের মালিক ছিল মাত্র 5 শতাংশ মানুষ। যারা আয় কর পর্যন্ত দিত না। কেউ এর প্রতিবাদ করলেই তাকে বন্দী করে বাস্তিল দুর্গ অত্যাচার করা হতো। বেশ কিছু কারণের প্রেক্ষিতে ফরাসি বিপ্লব এর পটভূমি সৃষ্টি হয়।

অর্থনৈতিক কারণ: 

রাজপরিবারের বিলাসব্যসন এবং যুদ্ধ নীতির কারণে ফ্রান্সের রাজা ষোড়শ লুই এর সময় ফ্রান্সে মারাত্মক আর্থিক সংকট দেখা দেয়। রাজা অর্থ সচিব ম্যাকারের শরণাপন্ন হয়েও কোন সুরাহা করতে পারেননি। 1776 সালে আমেরিকার স্বাধীনতা যুদ্ধ শুরু হলে ষোড়শ লুই মার্কিনদের সহায়তা দিলে ফরাসি রাজকোষ শূন্য হয়ে যায়। সরকার ধনীদের কাছ থেকে উচ্চসুদে ঋণ গ্রহণ করে এবং সময়মতো তা পরিশোধ করতে না পারায় ধনীক শ্রেণী রোবসপীয়র নামক এক ব্যক্তির নেতৃত্বে রাজার পতনের জন্য সর্বহারা শ্রেণীর সাথে ঐক্যবদ্ধ হয়। বেকারত্বের হার এবং খাদ্য দ্রব্যের উচ্চমূল্য তৎকালীন ফ্রান্সের অন্যতম অর্থনৈতিক সমস্যা ছিল। (ফরাসি বিপ্লবের পটভূমি কি ছিল)

শিল্প বিপ্লব কি? উদ্ভব বিকাশ সময়কাল আলোচনা

কর এবং দ্রব্যমূল্যের মূল্যস্ফীতি:

 রাজা রাষ্ট্রীয় ঋণ পরিশোধ করার জন্য মধ্যবিত্ত এবং দরিদ্র শ্রেণীর উপর অতিরিক্ত কর আরোপ করেন। টাইদ, টেইলি, ক্যাপিটেশন, ভিংটিয়েমে কর প্রচলিত ছিল। ফ্রান্সে প্রথম ও দ্বিতীয় সম্প্রদায় কে মাত্র চার ভাগ এবং তৃতীয় সম্প্রদায়কে ৯৬ কর বা রাজস্ব দিতে হতো। ব্রিটিশ পর্যটক আর্থার ইয়ং ফ্রান্সের প্রত্যন্ত অঞ্চলে চরম দারিদ্রের কষাঘাত লক্ষ্য করেন। যার অন্যতম কারণ ছিল ৬০% পর্যন্ত দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধি। বিপ্লবের আগে পর পর দুই বছরের অনাবৃষ্টিতে ফরাসি অর্থনীতি মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ফ্রান্সে কৃষি ছিল অর্থনীতির মূলভিত্তি। মোট জনসংখ্যার ৮০% মানুষ কৃষির সাথে জড়িত হলেও কৃষি ব্যবস্থা ছিল অনুন্নত। দ্রব্যমূল্যের পরিমাণ বৃদ্ধি পেলে কৃষকরা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। ফলে তারা ফরাসি বিপ্লব এর প্রতি আগ্রহী হয়। (ফরাসি বিপ্লবের পটভূমি কি ছিল)

রাজনৈতিক কারণ: 

তৎকালীন ফরাসি রাজারা নিজেদের ঈশ্বরের প্রতিনিধি বলে দাবি করতেন। রাজতন্ত্রের বিরুদ্ধে কেউ কথা বললেই তাকে বাস্তিল দুর্গের বন্দী করে অত্যাচার করা হতো। বলা হয়ে থাকে যে একবার বাস্তিল দুর্গের প্রবেশ করতো সে কখনোই জীবিত ফেরত আসত না। ফ্রান্সের রাজা ষোড়শ লুই সামন্তবাদে বিশ্বাসী ছিলেন। ধনীদের সাথে তার সম্পর্ক ভালো হলেও সর্বহারাদের সাথে বর্বর আচরণ করতেন।

প্রাদেশিক আইন সভার ক্ষমতা বৃদ্ধি:

 রিশল্যুর সময় অভিজাতদের দমন করা হলেও ষোড়শ লুই এর সময় তারা ক্ষমতা সঞ্চার করে প্রাদেশিক আইনসভায় প্রভাব বিস্তার করে। ফ্রান্সে তৎকালীন সময়ে ১২ টি পার্লামেন্ট ছিল। তার মধ্যে ‘পার্লামেন্ট অব প্যারিস’ সবচেয়ে শক্তিশালী ছিল। পার্লামেন্টের অনুমোদন ছাড়া রাজার জারিকৃত কোন আইন বৈধতা পেতনা। ‘Lit de justice’ আইনের মাধ্যমে রাজা পার্লামেন্টের বিরোধিতা না করার বিধান চালু করলেও বাস্তবে রাজা নিজেই পার্লামেন্ট কে ভয় করতেন। ফরাসি বিপ্লব ঘটানোর অন্যতম পটভূমি ছিল। ফরাসি বিপ্লবের পটভূমি কি ছিল

রাজতন্ত্রের দুর্বলতা: 

পঞ্চদশ লুই অস্ট্রিয়ার উত্তরাধিকার যুদ্ধ এবং সপ্তবর্ষী যুদ্ধে পরাজিত হয়ে ফ্রান্সের মর্যাদা ক্ষুন্ন করেন। ষোড়শ লুই আমেরিকার স্বাধীনতা যুদ্ধ সাহায্য প্রেরণ করেন। এ যুদ্ধগুলোতে বৈদেশিক বাণিজ্যে ফরাসি বণিকরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ফ্রান্সের সামরিক মর্যাদা কমার পাশাপাশি আর্থিকভাবেও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। অভিজাত, রাজ পরিবারের সদস্যরা, মন্ত্রীরা একে অপরকে প্রতিদ্বন্দ্বী মনে করায় শাসন ব্যবস্থায় বিশৃংখলার সৃষ্টি হয়। রাজা এসব বিশৃংখল পরিস্থিতি দমন করতে ব্যর্থ হন।

প্রজাহিতৈষী স্বৈরাচার কি?এর বৈশিষ্ট্য। প্রজাহিতৈষী শাসক হিসেবে মহান ফ্রেডারিখ

অভিজাতদের আধিপত্য: 

স্বৈরতন্ত্রের কিছু ত্রুটির কারণে অভিজাত এবং যাজকরা সরকারি ক্ষমতা হস্তগত করে ফেলে। তারা নিজেদের রাজপরিবারের সমপর্যায়ের ভাবা শুরু করে। অভিজাতরা কুলীন (কুলীন বলতে বোঝায় সমাজের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি) হওয়াতে রাজ ক্ষমতা দাবি করে বসে। ফরাসি রাজতন্ত্রের ত্রুটিসমূহ অভিজাত্যের দাবি পূরণের পথ সুগম করলে মধ্যবিত্ত শ্রেণী ও নিজেদের অধিকার আদায় করতে উৎসাহিত হয়। (ফরাসি বিপ্লবের পটভূমি কি ছিল)

যাজকদের প্রভাব: 

ফ্রান্সে রাজকীয় ধর্ম ছিল রোমান ক্যাথলিক। এই কারণে গির্জার যাজকরা অনেক প্রভাবশালী ছিল। স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান হওয়াতে গির্জায় জনগণের উপর বিভিন্ন কর আরোপ করে। কিন্তু গির্জার সম্পত্তির উপর রাষ্ট্রীয়ভাবে করারোপ করা যেতনা। 1561 সালে পোইসির চুক্তি দ্বারা যাজকরা গির্জার ভূমির উপর স্বেচ্ছায় কর দিতে শুরু করে। এর মাধ্যমে যাজকদের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

দুর্নীতিগ্রস্ত বিচার বিভাগ: 

বিচারব্যবস্থা ব্যয়বহুল এবং বিচার প্রক্রিয়া দেরিতে সম্পন্ন হওয়ায় সাধারণমানুষ ন্যায় বিচার পেত না। ইনটেনডেন্ট কর্মচারীরা জনগণের কাছ থেকে করের নামে অবৈধ অর্থ আদায় করলেও কোনো বিচার ছিল না। অভিজাত রা টাকা দিয়ে বিচারকদের প্রভাবিত করত। রাজা বিনা বিচারে যে কাউকে গ্রেফতার করতে পারত। সব মিলিয়ে তৎকালীন ফরাসি বিচারবিভাগেও অরাজকতা বিদ্যমান ছিল। এসব দুর্নীতি এবং বিচারবহির্ভূত দণ্ডের বিরুদ্ধে সাধারণ জনতার সোচ্চার হয়ে ওঠে। ফরাসি বিপ্লবের পটভূমি কি ছিল

সামাজিক কারণ: 

ফরাসি বিপ্লব ঘটানোর পেছনে অন্যতম প্রভাবক ছিল ফ্রান্সের সামাজিক ব্যবস্থা। তৎকালীন ফ্রান্সে তিন স্তর বিশিষ্ট সমাজ বিদ্যমান ছিল। প্রথম স্তরে ছিল যাজক শ্রেণী, দ্বিতীয় স্তরে ছিল অভিজাতরা এবং তৃতীয় স্তর বা সমাজের সর্বনিম্ন স্তরে ছিল সাধারণ মানুষরা।

যাজক প্রথম শ্রেণী: 

1789 সালে যাজকদের সংখ্যা ছিল 1 লক্ষ 30 হাজার। গির্জার মাধ্যমে আরোপিত বিভিন্ন করের মাধ্যমে যাজকরা প্রভূত সম্পদের মালিক ছিল। ফরাসি মন্ত্রী নেকার এর মতে, গির্জার বার্ষিক আয়ের পরিমাণ ছিল আনুমানিক 13 কোটি লিবর। নিম্নস্তরের যাজকরা এই আয়ের অংশ ভোগ করতে পারত না। উচ্চস্তরের যাজকদের বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জনগণ বিক্ষুব্ধ হয় এবং অধঃস্তন যাজকরা সাধারণ মানুষকে সমর্থন জানায়। অধঃস্তন যাজকদের সমাজের নিম্ন স্তর থেকে নিয়োগ দেয়া হতো। (ফরাসি বিপ্লবের পটভূমি কি ছিল)

অভিজাত দ্বিতীয় শ্রেণি: 

ফরাসি সমাজ ব্যবস্থায় দ্বিতীয় স্তরে ছিল অভিজাতরা। অভিজাত দের মধ্যে কয়েক স্তর বিদ্যমান ছিল। মূল অভিজাত দের সংখ্যা ছিল 3 লক্ষ 50 হাজার। এরা বিলাসবহুল জীবনযাপন করতো। অভিজাতরা নিজেদের রাজার বংশধর মনে করত এবং বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা ভোগ করতো। যেসব অভিজাত রাজদূত, শাসনকর্তা, ইনটেনডেন্ট কর্মচারী, সামরিক কর্মকর্তা ছিল তাদের দরবারে অভিজাত বলা হত। আরেক শ্রেণীর অভিজাতরা ছিল পোশাকি অভিজাত। গ্রামের অভিজাতরা তুলনামূলক দরিদ্র হওয়াই শহুরে অভিজাতরা তাদের হেয় চোখে দেখত। গ্রামীণ অভিজাতরা কৃষকদের শোষণ করায় কৃষকরা তাদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়। অভিজাতরা গুরুত্বপূর্ণ কর থেকে মুক্ত ছিল। (ফরাসি বিপ্লবের পটভূমি কি ছিল)

 সম্রাট আকবরের ধর্মমত দীন-ই-ইলাহী প্রবর্তন ও রীতিনীতি

তৃতীয় শ্রেণি: 

যাজক এবং অভিজাত বাদে ফ্রান্সের বাকি সবাই তৃতীয় শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত ছিল। 2 কোটি 50 লাখ বাসিন্দার মধ্যে 93% লোক তৃতীয় শ্রেণি ভুক্ত ছিল। ধনি বুর্জোয়া থেকে শুরু করে সাঁ, কলোৎ, কৃষক, শ্রমিক, চিকিৎসক সবাই এই শ্রেণীভূক্ত ছিল। এ শ্রেণির লোকজন ছিল শোষিত এবং বঞ্চিত। ধনি বুর্জোয়ারাও শোষণের বিরুদ্ধে দরিদ্র ও বঞ্চিতদের সাথে একাত্মতা পোষণ করে। ফলে ফরাসি বিপ্লব ত্বরান্বিত হয়। মূলত শ্রেণি বৈষম্যমূলক ফ্রান্সের সমাজ কাঠামোর মধ্যেই ফরাসি বিপ্লবের বীজ নিহিত ছিল। (ফরাসি বিপ্লবের পটভূমি কি ছিল)

দার্শনিকদের অবদান: 

তৎকালীন ফ্রান্সের মানবতা বাদী দার্শনিকরা জনগণকে বিপ্লবের পথে উৎসাহিত করেছিল। দার্শনিকরা তাদের রচনায় গির্জা, যাজক,অভিজাতদের সমালোচনা করেন। রুশো সামাজিক শ্রেণী বৈষম্যের সমালোচনা করেন। বিপ্লবীরা রুশো, ভলতেয়ার, মন্টেস্কু, দিদেরো প্রমুখ দার্শনিক দাঁড়া প্রভাবিত হন। দার্শনিকদের অনুপ্রেরণা বিপ্লবের ক্ষেত্র প্রস্তুত করে।

পরিশেষে বলতে পারি, উপরোক্ত ঘটনা সমূহের প্রভাবে ফরাসি বিপ্লব সংঘটিত হয়। ফরাসি বিপ্লবের মাধ্যমে ফ্রান্সের নিরঙ্কুশ রাজতন্ত্র বিলুপ্ত হয়ে প্রজাতন্ত্রের সূচনা হয়। অভিজাততন্ত্র থেকে নাগরিকত্বের সূচনা হয়। (ফরাসি বিপ্লবের পটভূমি কি ছিল)

  • ফরাসি বিপ্লবের সামাজিক কারণগুলি কি ছিল?
  • বিপ্লবের মূল কারণ নিহিত ছিল সামাজিক বৈষম্যের মধ্যে । ফ্রান্সের মধ্যযুগীয় সামাজিক ব্যবস্থা বিশেষ অধিকারভোগী ( Privileged ) এবং অধিকারবিহীন ( Non-Privileged ) এই দুইভাগে বিভক্ত ছিল । যাজক , অভিজাত ও অন্যান্য সম্প্রদায় নিয়ে মূল তিনটি এস্টেট বা শ্রেণিতে বিভক্ত ছিল ফরাসিবাসীরা ।
  • ফরাসি বিপ্লবের সময় ফ্রান্সের সামাজিক অবস্থা কেমন ছিল? 
  • এই বিপ্লব ছিল তদানীন্তন ফ্রান্সের শত শত বছর ধরে নির্যাতিত ও বঞ্চিত “থার্ড স্টেট” বা সাধারন মানুষের পুঞ্জীভূত ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ। এই বিপ্লবের আগে সমগ্র ফ্রান্সের ৯৫ শতাংশ সম্পত্তির মালিক ছিল মাত্র ৫ ভাগ মানুষ। অথচ সেই ৫ ভাগ মানুষই কোন আয়কর দিত না। যারা আয়কর দিত তারা তেমন কোন সুবিধা ভোগ করতে পারত না।
  • বিপ্লবী বিচারালয় কি?
  • ফরাসি বিপ্লবকালীন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের এই যন্ত্রে শাস্তি দেওয়া হয়। রোবসপীয়র ও তাঁর সহযোগীদের এখানে ফাঁসির কাষ্ঠে ঝুলানো হয়। এ জন্য একে বিপ্লবী বিচারালয় বলা হয়।
  • ফরাসি বিপ্লবের জননী বলা হয় কাকে ?
  • ফ্রান্সের প্যারিস শহরকে
  • ফরাসি বিপ্লবের মূলমন্ত্র ছিল কোনটি ?
  • ১৭৮৯ সালে সংঘটিত এই বিপ্লবের মূলনীতি ছিল সাম্য, ভ্রাতৃত্ব এবং স্বাধীনতা।

Leave a Comment